
রমজান ঘিরে তৎপরতা বাড়ছে অসাধু চক্রের
- আপলোড সময় : ১৯-০২-২০২৫ ১১:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-০২-২০২৫ ১১:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন


অর্থনৈতিক রিপোর্টার
অসাধু ব্যবসায়ীদের তৎপরতায় দেশে চাহিদার বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি হলেও কমছে না দাম। আসন্ন রমজানকে ঘিরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চাহিদার চেয়ে বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি হয়েছে। এখনো দেশে পণ্য আসছে। কিন্তু কমছে না পণ্যের দাম। বরং কিছু কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। আর বাজারে দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা বন্দরে পণ্য খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদামে রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ভোগ্যপণ্য আমদানি বেশি হলেও রমজানে দাম বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ভোগ্যপণ্যের পাইকারী বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে রমজানে ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু, ডাল, ছোলা, খেজুরসহ বেশ কিছু পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। আর বরাবরই এ সুযোগকে কাজে লাগায় অসাধু ব্যবসায়ীরা। ফলে দেশের মানুষ রমজানে ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়ে শঙ্কিত থাকে। তবে এবার বাজারে কোনো পণ্যের বেশি সরবরাহে ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে এখনো পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। রাত-দিনজুড়ে পণ্য খালাসের কাজ চলছে। এখনো বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে পণ্যবাহী শতাধিক জাহাজ। আর ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আরো নিত্যপণ্য আমদানি হবে।
ফলে সরবরাহ আরো বাড়বে। সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় মাসে ছয় কোটি ৮৫ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়েছে, আগের অর্থবছরে তা ছিল ছয় কোটি ৫৮ লাখ টন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই লাখ ৪০ হাজার টন পাম ও সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে। চিনি আমদানি হয় এক লাখ চার হাজার টন। পেঁয়াজ আমদানি হয় ৮২ হাজার টন। এক লাখ ৯৫ হাজার টন ডাল আমদানি হয়। আর ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছোলা আমদানি হয়েছে ২৮ হাজার ৩৩৪ টন, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিলো ১২ হাজার ৬৭৬ টন। খেজুর আমদানি হয়েছে চার হাজার ৯৭৮ টন। আমদানিকারকদের মতে, এবার রমজানের প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি হওয়ায় বাজারে সংকট থাকবে না। সূত্র আরো জানায়, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আমদানি করা কয়েক হাজার টন পণ্য নিয়ে দুইশ’র বেশি লাইটার জাহাজ সাগরে ভাসছে। কিন্তু দাম বাড়ানোর কৌশল হিসাবে আমদানিকারকরা খালাস না করে সাগরে ভাসমান গুদাম বানিয়ে পণ্যগুলো রেখেছে। সময়মতো পণ্য খালাস না করায় চট্টগ্রামে লাইটার জাহাজের সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে। রমজান মাসে বিভিন্ন পণ্যের অতিরিক্ত চাহিদা থাকে। এবার ওসব পণ্যের চাহিদার বেশি আমদানি করা হয়েছে। চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত আরো আমদানি করা হবে। রমজানে কোনো পণ্যের সংকট হবে না।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ